প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ট্রাম্পের ফের ক্ষমতাগ্রহণের পর অভিবাসন ব্যবস্থা কঠোর করার অংশ হিসেবে, এটি নজিরবিহীন বলে বিবেচিত হচ্ছে। এই পদক্ষেপের আওতায়, গুরুতর অপরাধে জড়িতদের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের হত্যাকাণ্ডে উল্লাস প্রকাশকারীদেরও লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ভিসা বিধিমালা লঙ্ঘন, অপরাধ সংঘটন, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার আহ্বান, জালিয়াতি, জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করা এবং অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহারকারীদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মুখোমুখি হওয়ার পর বেশিরভাগ ভিসা বাতিল হয়েছে, যার মূল কারণ ছিল মারামারি, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদক অপরাধ। আরও উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে ধর্ষণ, মানব পাচার, অপহরণ এবং শিশু যৌন নির্যাতনের মতো অভিযোগের ভিত্তিতে অনেকের ভিসা বাতিল হয়েছে।
বিশেষ ঘটনার উদাহরণ দিয়ে দপ্তরটি জানায়, কেবল যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব নেওয়ার উদ্দেশ্যে আসা উত্তর আফ্রিকার শতাধিক ‘বার্থ ট্যুরিস্ট’ অভিভাবকের ভিসা বাতিল করেছে সেখানকার মার্কিন দূতাবাস। একই সঙ্গে, কনজারভেটিভ অ্যাক্টিভিস্ট চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডে সোশাল মিডিয়ায় আনন্দ প্রকাশকারী একাধিক বিদেশির ভিসাও প্রত্যাহার করা হয়েছে, যাদের একজন মন্তব্য করেছিলেন যে কার্ক ‘অনেক দেরিতে মারা গেছেন’।
এর আগে, গত জানুয়ারিতে, দপ্তরটি রেকর্ড ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিলের খবর জানিয়েছিল। বর্তমানে, বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন রেকর্ডসংখ্যক মানুষকে বহিষ্কার করছে। একই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট যাচাই এবং অতিরিক্ত স্ক্রিনিং। তবে মানবাধিকার রক্ষার্থীরা এই স্ক্রিনিংয়ের তীব্র সমালোচনা করে বলছেন, এটি বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করছে এবং অভিবাসীদের নজরদারির মধ্যে ফেলার শামিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন