প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিনোদন জগতের খ্যাতিমান অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অভিভাবকদেরও আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। অপূর্ব বলেন, "শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে এই সমাজের অস্তিত্বই অর্থহীন।" শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কিশোর অপ্রতিম হত্যার মর্মান্তিক ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
অভিনেতা তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার সুযোগ তার সবচেয়ে স্বাভাবিক অধিকার।" কিন্তু শিশুদের ওপর বারবার যে নৃশংসতা ঘটছে, তা সমাজ ও বিবেকের চরম পতনের ইঙ্গিত দেয়।
শুক্রবার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষিকা নাহিদা বেগম তার ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের নিখোঁজ হওয়ার খবর জানিয়ে ফেসবুকে খুঁজে পাওয়ার আকুতি জানান। এই ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে পুলিশ ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করে। অপূর্ব এই লোমহর্ষক ঘটনার জন্য হতবাক হয়ে যান।
১৩ বছর বয়সি ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডে তিনি স্তব্ধ হয়ে পড়েন। শিশুদের ওপর এমন নৃশংসতা বন্ধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অভিনেতা বলেন, "সব শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব চাই।"
অপ্রতিম হত্যার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না করলেও সাম্প্রতিক শিশুহত্যার ঘটনার কারণে তিনি একজন বাবা এবং দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে স্তব্ধ হয়ে গেছেন বলেও জানান এ রোমান্টিক অভিনেতা।
অভিভাবকদের আরও সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে অপূর্ব বলেন, "একটু বাড়তি সতর্কতা ও সচেতন নজরদারি হয়তো অনেক বড় বিপদ থেকে সন্তানকে রক্ষা করতে পারে।"
তিনি বলেন, ঘরের ভেতরে কিংবা বাইরে— কোথাও যেন শিশুদের নিরাপত্তায় কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকেও নজর দেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে শিশুহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন অপূর্ব। শিশুদের জন্য দেশকে নিরাপদ করে তোলাকে তিনি সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলেও মনে করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন