প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ৭৬ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবারের ভূমিকম্পের পর নতুন কোনো ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেনি। সোমবার চীন জানিয়েছে, নতুন করে কেউ হতাহত হননি।
চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হিমবাহের হ্রদ ও হিমবাহের ওপর প্রভাব খুবই সামান্য। ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫৪টি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি পরাঘাতের মাত্রা ছিল ৫ বা তার বেশি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে ৫০ কিলোমিটার বা ৩১ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে নতুন ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে কি না, তা কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা করে দেখেছে।
তিব্বতের উত্তরে জনবিরল পাহাড়ি শহর নাগকুতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর এটি ছিল চীনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি রয়েছে—এমন ১৫৭টি স্থান পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২২টি স্থান আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ছিল। নতুন করে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে আরো ৩৫টি স্থান।
মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে ৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা ৮০টি হিমবাহের হ্রদ ও ১৪৫টি হিমবাহ পরীক্ষা করেছেন। এসব পরীক্ষায় ভূমিকম্পের কারণে নতুন কোনো বড় ধরনের ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন