প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের সদ্য ক্ষমতা হারানো মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি এবং পিটিআই-এর আটজন নেতাকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। সোমবার (১২ অক্টোবর) পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি সহ পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর অন্তত আটজন নেতাকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আটক নেতাদের মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়া বিধানসভার স্পিকার বাবর সেলিম সোয়াতি এবং পিটিআই-এর প্রাদেশিক সভাপতি জুনায়েদ আকবরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাদের আটক করার খবর পাওয়া যায়। রোববার নিরাপত্তাসংক্রান্ত সংবিধানের দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় খাইবার পাখতুনখোয়া জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে গভর্নরের শাসনও জারি করা হয়।
সোহাইল খান, যিনি কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা, পিটিআই-এর কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের নেতা-কর্মীরা ৪ অক্টোবর পাখতুনখাওয়া প্রদেশ থেকে রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ শুরু করেন। তবে লংমার্চটি এখনো খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেই অবস্থান করছে।
গভর্নরের শাসন জারির ফলে পিটিআই সরকারের কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে পড়েছে। তবে দলটির দাবি, জরুরি অবস্থা বা গভর্নরের শাসন জারি করে প্রদেশটির কোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
রোববার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় পিটিআই চেয়ারম্যান গহর আললী এক বিবৃতিতে বলেন, তার দল এ পদক্ষেপকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক নীতিকে ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো পদক্ষেপ সহ্য করা হবে না।
পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দী রয়েছেন। তাকে কয়েকটি মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে। কারাগারে থাকার পরেও পাকিস্তানজুড়ে ইমরানের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন