প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিস্লাভ কোসিনিয়াক-কামিশের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই তথ্যের ফলে দেশটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) হুমকির তথ্য পাওয়ার পরপরই পোলিশ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একটি জরুরি ও বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে পুলিশ, স্টেট প্রটেকশন সার্ভিস এবং অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা (এবিডব্লিউ) একত্রে এই হুমকি মোকাবিলায় কার্যক্রম শুরু করেছে।
বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর মুখপাত্র জাচেক দোব্রজিনস্কি জানান, তদন্তের স্বার্থে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে সরকার এই হামলার হুমকিকে অত্যন্ত মারাত্মক ও বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করছে।
মুখপাত্র আরও জানান, এই হামলার হুমকি কেবল একটি ফাঁকা আওয়াজ নয়। প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এই হামলার সফল হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত উচ্চ।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কারোলিনা গালেকা জানান, মন্ত্রীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্টেট প্রটেকশন সার্ভিস একটি ইমেইলের মাধ্যমে এই হামলার ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানতে পারে। এরপর তারা দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে ফরওয়ার্ড করে।
পোল্যান্ডে সাধারণত বড় ধরনের সহিংস অপরাধ বা রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড খুব একটা ঘটে না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।
এছাড়াও প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের কারণে পোল্যান্ডের সামগ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকি অনেক বেড়ে গেছে। এর আগে চলতি বছরের আগস্ট মাসে দেশের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের হত্যার উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী টাস্ক সতর্ক করেছিলেন, ইউক্রেনকে সমর্থন করার কারণে ন্যাটো জোটের পূর্ব সীমান্তে পোল্যান্ডসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতে রাশিয়া তাদের হাইব্রিড ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জোরদার করতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন