প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটির পর শনিবার (২৪ অক্টোবর) থেকে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল আবারও সচল হয়েছে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের জন্য। পূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্দরটি ৭ দিন বন্ধ ছিল।
এদিকে, বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ ও পণ্য খালাস শুরু হওয়ায় জমে থাকা পণ্যের জট ক্রমশ কমতে শুরু করেছে। বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক, রফতানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, কাস্টমস, বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শ্রমিকরা পণ্য ছাড়করণ ও খালাসে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ পরিচালক রুহুল আমিন জানিয়েছেন, দুর্গাপূজার ছুটির পর বন্দরের সব কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং ২০০ ট্রাক পণ্য রফতানি হয়ে থাকে। এছাড়া, রেলপথেও পণ্য আমদানি করা হয়। প্রতিদিন বন্দরের মাধ্যমে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক পণ্য খালাস হয়। এসব আমদানি পণ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, গার্মেন্টস পণ্য, শিশুখাদ্য, মাছ, রাসায়নিকসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য।
অন্যদিকে, রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, রাসায়নিক পণ্য, বসুন্ধরা টিস্যু, মেলামাইন ও মাছসহ বিভিন্ন পণ্য। তবে ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পাট, পাটজাত দ্রব, তৈরি পোশাক ও গার্মেন্টস সামগ্রী সড়ক পথে দেড় বছর ধরে রফতানি বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের শর্তে সুতা আমদানি বন্ধ রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন