প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সোমবার প্যারিসে বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন দেশটির মিত্ররা। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, এই বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও অংশগ্রহণ করবেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র বিবৃতি অনুযায়ী, শুক্রবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানায়, ‘ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে গঠিত ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ দেশের জোট’-এ অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখা, যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো এবং নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
রাশিয়ার প্রবল আগ্রাসনের পর ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এই জোট গঠিত হয়েছিল। ফ্রান্সের জাতীয় দিবস বাস্তিল ডে’র একদিন আগে সংগঠিত এই সম্মেলনে অন্তত ২৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত থাকবেন। জেলেনস্কি এবং অন্যান্য নেতারা ১৪ জুলাই প্যারিসের শঁজেলিজে সড়কে অনুষ্ঠিত সামরিক কুচকাওয়াজেও অংশগ্রহণ করবেন। এবারের কুচকাওয়াজে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছেন।
ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় মন্তব্য করেছে, এই সম্মেলন এমন একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন আটলান্টিক পারের দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা নতুন করে জোর দেওয়া হচ্ছে এবং ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনও নজরে আসছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর একজন উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সোমবারের বৈঠক এই অগ্রগতিকে আরও বলিষ্ঠ করবে। এর মাধ্যমে ইউক্রেনের সমর্থক দেশগুলো তাদের দৃঢ় সমর্থন প্রদর্শন করতে চায়, যাতে বোঝা যায় তাদের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে কোনো ক্লান্তির লক্ষণ নেই। রাশিয়াও যেন কোন দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করলেও মস্কো এবং কিয়েভ—দুইপক্ষের সমালোচনা করেছেন। তবে চলতি বছরের জুন মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলন এবং এ সপ্তাহে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো বৈঠকে ট্রাম্প ইউক্রেনকে আরও বেশি সহায়তা প্রদানের ইঙ্গিত প্রদান করেছেন।
এদিকে, রাশিয়ার জ্বালানি ক্রয়ের সাথে জড়িত দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিদলীয় একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ চলমান রয়েছে, যা মস্কোর ওপর আরও কঠোর চাপ তৈরির সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন