প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে দীর্ঘ ২৬ দিন ধরে অনশনে থাকার পর অবশেষে তা ভেঙেছেন ভারতের জলবায়ু, পরিবেশ ও সামাজিক আন্দোলনকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি তরল খাবার গ্রহণ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে সোনামের অনশন ভাঙার ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিওতে শয্যাশায়ীর পাশে সোনামের সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং জীতেন্দ্র সিংকে দেখা গেছে। তার স্ত্রী গীতাঞ্জলী আংমোও তার পাশে আছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের সাইটে ভিডিওটি শেয়ার করেছে।
সমন্বিত মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তরুণ-তরুণীদের রাজনৈতিক মঞ্চ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন কর্মসূচিকে সমর্থন করে গত ২৮ জুন রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় সোনাম অনশনে বসেছিলেন।
ভিডিওতে সোনাম বলেছেন, “আমি অনশন ভাঙতে পেরে খুবই কৃতজ্ঞ, ধন্যবাদ। গীতাঞ্জলি সবসময় আমার পাশে ছিলো। তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই না, আমি শুধু আমার অনুভূতি প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও বলেছেন, “পাশাপাশি, আমি আপনাদের সবার প্রতি সহিংসতার প্রতি খুব সতর্ক থাকার আহ্বান জানাব। কোথাও যেন কোনো প্রকার সহিংসতা না হয়।”
অনশন শুরু করার পর ২০ তম দিন অর্থাৎ শুক্রবার পর্যন্ত তিনি নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর এলাকারেই ছিলেন। ২১ তম দিন শনিবার ভোরের দিকে দিল্লি পুলিশ তাকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনায় নালিশ জানিয়ে সোনামের স্ত্রী গীতাঞ্জলী দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নয়াদিল্লির মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিটের প্রশ্নফাঁসের জন্য সিজেপি এবং সোনাম ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। ধর্মেন্দ্র প্রধান এখনও পদত্যাগ করেননি, তবে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বিনীত যোশীকে শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে পঞ্চায়েত বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের পরেই সোনাম অনশন ভেঙেছেন।
মেদান্ত হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত ২৬ দিনের অনশনে সোনামের ওজন ১১ কেজি কমেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন