প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ঘটে যাওয়া আকস্মিক বরফ ধস এবং ভয়াবহ বন্যা শুধুমাত্র একটি স্থানীয় দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি পুরো পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর একটি মারাত্মক বিপর্যয়ের চিহ্ন।
বাংলাদেশসহ আটটি দেশের জন্য এই ঘটনা একটি গুরুতর সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ হিমালয় পর্বতমালার ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীলতা রয়েছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে হিমালয়ের বরফ দ্রুত গলতে শুরু করেছে, যা এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিকে ক্রমশ জটিল করে তুলছে।
যখন পাহাড়ের চূড়ায় বরফ ধস বা পাহাড়ি ঢল শুরু হয়, তখন নদীর পানি মুহূর্তের মধ্যে সমতলের দিকে নেমে আসে। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা অববাহিকার শেষ প্রান্তে অবস্থান করার কারণে যেকোনো উজান ঢলের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশে এসে পড়ে। জলবায়ুর এই পরিবর্তনের ফলে আগামী দিনে আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন এবং অসময়ে পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন কেবল নিজেদের দেশের সীমানায় বসে বিপর্যয় মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, চীন এবং পাকিস্তানসহ এই অঞ্চলের আটটি দেশকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। পাহাড়ি আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং নদীগুলোর গতিপ্রকৃতি নজরদারিতে যৌথ ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। সঠিক সময়ে দুর্যোগের পূর্বাভাস পৌঁছাতে পারলে হাজার হাজার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন