প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংসদে অঙ্গুলি নির্দেশ করা নিয়ে যে এক্সপাঞ্জ করার দাবি উঠেছে, সে বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, অঙ্গুলি নির্দেশ এক্সপাঞ্জ করা সম্ভব নয়; তবে যদি অসংসদীয় বক্তব্য থাকে, তাহলে সেটি পরীক্ষা করে দেখা হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার একপর্যায়ে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর দাবির জবাবে স্পিকার এই রুলিং দেন।
রফিকুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, গত রোববার বিরোধী দলের একজন সিনিয়র সদস্য মাদক, মদ ও সিগারেট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, এই সংসদে যারা রয়েছেন, তাদের পেছনের সারিতে তারা মাদক গ্রহণ করেন না। তিনি আমাদের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বলেছেন, মাদক গ্রহণ করেন তারা, আর আমরা করি।
তিনি বলেন, আমরা কখনো সরকারি দলের সদস্য হোন বা বিরোধী দলের সদস্য হোন, সম্মানহানি এ ধরনের কথা বলি না এবং বলবও না। আমি রোববারের সেই আর্কাইভ থেকে আপনার কাছে অনুরোধ করছি, আমাদের প্রতি যে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছিলেন, সেটি এক্সপাঞ্জ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
জবাবে স্পিকার বলেন, আমি পরীক্ষা করে দেখব যে বিরোধী দল থেকে কোনো অসংসদীয় কথা বলা হয়েছে কিনা, সেটা আমরা পরীক্ষা করে দেখব। বক্তৃতার তারিখটি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করার জন্যও অনুরোধ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আপনি যে বিষয়টি অঙ্গুলি নির্দেশ করার কথা বলছেন, সেটির এক্সপাঞ্জের আবেদনও গ্রহণ করছি। তবে অঙ্গুলি নির্দেশ এক্সপাঞ্জ করা যাবে না। ক্ষেত্রবিশেষে কথাবার্তা যদি আর অসংসদীয় হয়, সেটিই এক্সপাঞ্জের উপযোগী হবে।
এর আগে বাজেট আলোচনায় রফিকুল বলেন, মাদক মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা যদি দ্রুত জামিন পেয়ে যায়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
তিনি বললেন, গত সপ্তাহে তার নির্বাচনী এলাকায় একজন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা থানায় আসার আগেই সেই মাদকসেবীকে থানার সামনে চায়ের দোকানে চা খেতে দেখা গেছে।
মাদক মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা যেন জামিন না পান, সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ‘সুস্পষ্ট ও কড়া নির্দেশনা’ প্রদান করার অনুরোধ করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন