শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:০৯ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুল সালাম জানিয়েছেন, যদি ডেঙ্গু জ্বরের টিকা গ্রহণযোগ্য হয়, তবে সেটি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আনা হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, ডেঙ্গু এখন একটি জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এটি মোকাবিলার জন্য সাধারণ মানুষের জনসচেতনতার বিকল্প নেই।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ছায়া সংসদে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের এবং জনগণের ভূমিকা নিয়ে বিতার্কিকরা নিজেদের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন। তারা ডেঙ্গু মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের সচেতনতাকে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, বিগত সময়ে ডেঙ্গু চিকিৎসা ও মশার ওষুধ কেনায় নানা অনিয়ম ঘটেছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সরকার ও সিটি করপোরেশনের নতুন নেতৃত্বের অধীনে মশা নিয়ন্ত্রণে জনগণ এখন দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চায়।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি ডেঙ্গু জ্বরের টিকা এবং ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তদের চিকিৎসার খরচের নিয়ম নিয়েও আলোচনা করেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, একদিকে সিটি করপোরেশনের মশা নিধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতি আনতে হবে, অন্যদিকে নাগরিক পর্যায় থেকেও সচেতনতার পরিচয় দিতে হবে। তবেই এই বছরজুড়ে থাকা মশার আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়ায় ইসলাম ধর্মের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির অনেক তরুণ এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, ইসলামের সুস্পষ্ট শিক্ষা, নৈতিক জীবনব্যবস্থা এবং মুসলিমদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে ধর্মটি সম্পর্কে জানার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কিছু তরুণ ইসলাম গ্রহণ করে নতুন ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয়ে জীবন শুরু করছেন।
কোরিয়া টাইমসের এক প্রতিবেদনে ইকনারের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছেন বলে ধারণা করা হয়। এই সংখ্যার মধ্যে অনেকেই বিশ ও ত্রিশের দশকের তরুণ। তবে, এই সংখ্যা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য সরকারি হিসাব পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে ‘ইউসুফ’ ছদ্মনামে পরিচিত ত্রিশোর্ধ্ব এক কোরীয় মুসলিমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি ২০১৪ সালে ইসলাম গ্রহণ করেন। মুসলিম বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় এবং তাঁদের জীবনযাপন কাছ থেকে দেখার মাধ্যমে ইসলামের প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে ইসলাম সম্পর্কে জানাশোনা বাড়ানোর পর তিনি ধর্মটি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।
কোরীয় নওমুসলিমদের অনেকেই ইসলামের একত্ববাদের শিক্ষা তাঁদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে বলে জানিয়েছেন। এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, সুস্পষ্ট ধর্মীয় মূলনীতি এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নৈতিক নির্দেশনা তাঁদের কাছে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
সিউলের ইতাওয়ন এলাকায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় মসজিদে নিয়মিত ইসলামের মৌলিক শিক্ষা সম্পর্কে জানার জন্য আগ্রহী কোরীয়রা আসেন। সেখানে তাঁরা ইসলামের বিশ্বাস, ইবাদত ও জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। শিক্ষা গ্রহণের পর কেউ কেউ শাহাদাতাইন পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করেন।
কোরীয় মুসলিম নারী ‘আরিয়ম’ জানান, ইসলামে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সম্মানের শিক্ষা তাঁর কাছে বিশেষভাবে অর্থবহ মনে হয়েছে। এই মূল্যবোধ কোরীয় ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় পরিবারকে নিজের ধর্মীয় সিদ্ধান্ত বোঝানো তাঁর জন্য সহজ হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু তরুণ প্রচলিত সামাজিক রীতিনীতি ও প্রত্যাশার বাইরে ভিন্ন জীবনদর্শন খুঁজছেন। তাঁদের কেউ ইসলাম সম্পর্কে জানার মাধ্যমে নতুনভাবে জীবন, নৈতিকতা ও আত্মিক প্রশান্তি নিয়ে ভাবার সুযোগ পেয়েছেন।
ইসলাম সম্পর্কে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা থাকা সত্ত্বেও মুসলিমদের সঙ্গে সরাসরি পরিচয় অনেকের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। তাঁদের জীবনযাপন, আচরণ ও ধর্মীয় অনুশীলন কাছ থেকে দেখে কেউ কেউ ইসলাম সম্পর্কে আরও জানার আগ্রহ অনুভব করেছেন।
ইউসুফের অভিজ্ঞতাও এর একটি উদাহরণ। মুসলিম বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয়ের মধ্য দিয়ে তাঁর সামনে নতুন ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় জগৎ উন্মুক্ত হয়। তাঁর মতে, এই অভিজ্ঞতা তাঁকে পরিচিত সাংস্কৃতিক গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুন কিছু জানার সুযোগ করে দেয়।
দক্ষিণ কোরিয়ায় ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহ তৈরিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও ভূমিকা রাখছে। কোরীয় মুসলিমদের কেউ কেউ নিজেদের ধর্মীয় অভিজ্ঞতা, দৈনন্দিন জীবন ও মুসলিম সংস্কৃতি নিয়ে ভিডিও তৈরি করছেন। এসব কনটেন্টের মাধ্যমে কোরীয় ও আন্তর্জাতিক দর্শকেরা মুসলিমদের জীবন সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন।
কোরীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব আয়ানা জিহে মুন কিশোর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেন। ছোটবেলায় ইরাক যুদ্ধের সময় ইসলাম সম্পর্কে জানার পর ধর্মটি নিয়ে তাঁর কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে তিনি ইন্দোনেশিয়ায় বসবাসকারী কোরীয় মুসলিম ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পান।
এ ছাড়া ইউটিউবার দাউদ কিম তাঁর ভিডিওতে ইসলাম গ্রহণের অভিজ্ঞতা ও মুসলিম হিসেবে জীবনযাপনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতো পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন এমন অনেক মানুষ, যাঁদের কাছে আগে ধর্মটি ছিল অপরিচিত।
কোরীয় মুসলিম নারীদের কেউ কেউ হিজাবের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী কোরীয় পোশাক হানবকের সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন ধরনের ফ্যাশনও তুলে ধরছেন। এর মাধ্যমে ইসলামি মূল্যবোধ ও কোরীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন দিককে একসঙ্গে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
ইসলাম গ্রহণের পর মুসলিম সমাজে নতুন সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা ও আপনজনের অনুভূতি খুঁজে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন কোরীয় নওমুসলিম। তাঁদের কেউ কেউ পরিচিতজনের কাছ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেলেও মুসলিমদের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক থেকে মানসিক সমর্থন পেয়েছেন।
আরিয়ম জানান, সিউলের কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রথমবার যাওয়ার সময় তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি যেন অবশেষে নিজের ঘরে ফিরে এসেছেন। তাঁর এই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে, ধর্মীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি মুসলিম সমাজের আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধও নতুন মুসলিমদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় ইসলামের পরিচিতি নতুন নয়। বিভিন্ন সময়ে মুসলিম বণিক, অভিবাসী ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে কোরীয় উপদ্বীপে ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কোরীয় যুদ্ধের সময় তুর্কি মুসলিম সেনাদের উপস্থিতি দেশটিতে ইসলাম পরিচিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল। পরবর্তী সময়ে বিদেশি শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের মাধ্যমে মুসলিম সমাজের পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে।
বর্তমানে স্থানীয় কোরীয়দের ইসলাম গ্রহণের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ও বার্ষিক হিসাব সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য হালনাগাদ পরিসংখ্যান সীমিত। তবে কোরীয় নওমুসলিমদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মসজিদে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুসলিমদের সক্রিয় উপস্থিতি দেশটিতে ইসলাম সম্পর্কে জানার নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করছে।
ইসলামের একত্ববাদের শিক্ষা, নৈতিক জীবনব্যবস্থা, আত্মিক প্রশান্তির সন্ধান এবং মুসলিম সমাজের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক বিভিন্ন কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু মানুষ ইসলামকে নতুনভাবে জানছেন। তাদের এই অভিজ্ঞতা দেশটিতে ইসলাম সম্পর্কে ইতিবাচক আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর ক্ষেত্র তৈরি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : জাভা দ্বীপের একটি জাতীয় উদ্যানে দাবানল নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টায় চারজনের মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে ইন্দোনেশিয়ার বন মন্ত্রণালয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার পূর্ব জাভা প্রদেশের ব্রোমো টেঙ্গার সেমেরু জাতীয় উদ্যানে আগুন নেভানোর কাজে নিয়োজিত অবস্থায় আগুনের তীব্রতায় প্রাণ হারান চারজন। তবে নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে বিবৃতিতে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়া, এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলাদেশ পুলিশের দুই সদস্যকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দ্বারা ধরে নেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তিনি শুক্রবার একটি বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মাদক উদ্ধারের কাজে নিয়োজিত থাকা পুলিশের দুই সদস্য কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেনকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন। এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে সীমান্তরক্ষী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তবে ভারতীয় পক্ষের আগ্রাসী মনোভাব এসব বিষয়কে ক্ষুণ্ণ করছে, যা মোটেই কাম্য নয়। তিনি এটিকে অগ্রহণযোগ্য এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেন।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি অবিলম্বে বিএসএফের দ্বারা ধরে নেওয়া বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যদের সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, বর্তমান সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির কারণে প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করছে না। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারকে কূটনৈতিকভাবে ঘটনার প্রতিবাদ জানানো এবং এর প্রতিকার দাবি করার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ফলে ইরাকের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইন।
ইরাকি বার্তা সংস্থা আইএনএ দ্বারা প্রকাশিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত থাকায় ইরাকের অর্থনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই চলমান সংঘাত বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটকে আরও তীব্র করেছে। পাশাপাশি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
যদি পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হয়, তবে এর প্রভাব শুধুমাত্র সংঘাতের সাথে যুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ