প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের হাওর ও নদীর এলাকা সমূহে অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধ করার লক্ষ্যে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ১৪৫টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। এসব জালের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
গতকাল বুধবার, দিনব্যাপী জেলার কটিয়াদী, মিঠামইন, নিকলী ও ভৈরব উপজেলায় পরিচালিত এসব অভিযানের সময় জব্দ হওয়া জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এসব অভিযানে মোট ৯ হাজার ৫শ’ মিটার দৈর্ঘ্যের চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও হাওরে পরিচালিত অভিযানে ৩০টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জালের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ হাজার ৫শ’ মিটার এবং আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযানে সহযোগিতা করে কটিয়াদী বাট্টা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র।
একই দিনে, মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ফুলবাড়িয়া নদী ও তৎসংলগ্ন হাওরে অভিযান চালিয়ে ৫০টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। জালগুলোর আনুমানিক দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৫শ’ মিটার এবং মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। এই অভিযানে সহযোগিতা করেন মিঠামইন থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের ফিল্ড সহকারীরা।
নিকলী উপজেলার দামপাড়া ও নোয়াপাড়া সংলগ্ন হাওরে পরিচালিত অভিযানে ৪০টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। জালগুলোর আনুমানিক দৈর্ঘ্য ১ হাজার মিটার এবং মূল্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অভিযানে নিকলী থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের কর্মচারীরা সহযোগিতা করেছেন।
অন্যদিকে, ভৈরব উপজেলার মেঘনা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের মরা অংশে অভিযান পরিচালনা করে ২৫টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। জালগুলোর দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৫শ’ মিটার এবং আনুমানিক মূল্য ১ লাখ টাকা। এই অভিযানে সহযোগিতা করে ভৈরব নৌ পুলিশ।
পরে জব্দ করা সব চায়না দুয়ারি জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বাসস’কে বলেন, মাছের প্রজনন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি, জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশ্যে অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। হাওর ও নদীতে মাছের অবাধ বিচরণ এবং প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন