প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের পশ্চিমাঞ্চলে দুটি পৃথক হামলায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০ জনেরও বেশি সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। হামলাগুলোর দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেটের সাহেল শাখা, যা ইসলামিক স্টেট সাহেল প্রদেশ নামে পরিচিত।
রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানানো হয়, গত বুধবার আবালা-ফিলিঙ্গুয়ে শহরের কাছে সামরিক পুলিশের একটি গাড়িবহরে আকস্মিক হামলা হয়। তিন দিন পর শনিবার বিরনি-এনকনি এলাকায় একটি পৃথক হামলায় ৩০ জনের বেশি সেনা নিহত হন, যা দুটি নিরাপত্তা সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে।
নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, উভয় হামলাকেই সন্ত্রাসীদের দ্বারা পরিচালিত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি। পরবর্তীতে ইসলামিক স্টেটের পশ্চিম আফ্রিকান শাখা হামলা দুটির দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়, যা সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে।
২০২৩ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় আসা সামরিক সরকার জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ইসলামিক স্টেট ও আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলা অব্যাহত রয়েছে।
গত আগস্টেও রাজধানী নিয়ামে বিমানবন্দর ও প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে বিদ্রোহী সেনাদের হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় সরকারপন্থি বাহিনীকে রাশিয়ার ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত আধাসামরিক বাহিনী আফ্রিকা কোরের সদস্যরা সহায়তা করেছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পশ্চিম নাইজারে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক ক্ষয়ক্ষতির কারণে সম্মুখসারির সেনাদের মধ্যে হতাশা ক্রমশ বাড়ছে বলে বিশ্লেষক ও নিরাপত্তা সূত্রগুলো মনে করছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন