প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জয় বাংলা ব্রিগেড-এর জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আংশিক চার্জ গঠন শুনানির তারিখ আগামী ১৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরী অনুপস্থিত থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ে চার্জ গঠন সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ আগামী ১৫ অক্টোবর চার্জ গঠনের জন্য নতুন তারিখ ঘোষণা করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ আলম শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রিজন ভ্যানে দাঁড়িয়ে তুহিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ করার অপরাধে যদি আমার ফাঁসি হয়, আমরা আওয়ামী লীগই করব। জেল কত খাটাবেন? আমরা রাজনীতি করছি, পার্টি করছি কিন্তু কোনো হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।’
গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি।
গত ১৪ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ পলাতক ২৬১ আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ১১ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। মামলাটি এর আগে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আব্দুস সালামের আদালতে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির পর্যায়ে ছিল। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দ্রুত বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য মামলাটি ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে বদলি করা হয়।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেশবিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন