প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৬ অক্টোবর দুর্গাপূজার উপলক্ষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নব্বই দশকের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র 'চিরকুট'। সিনেমাটির টিজার এবং ট্রেলার প্রকাশের পর থেকে সিনেমা প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে, চিরকুট চলচ্চিত্রের রোমান্টিক গান 'প্রেমে গেলাম ডুবে' গানটি প্রিয় মানুষের মনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।
নব্বইয়ের দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে এই চলচ্চিত্র। ক্যাম্পাসজুড়ে তরুণদের উচ্ছ্বাস, বন্ধুত্ব, নস্টালজিয়া, প্রেম এবং জীবনের নানা গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সেকালের একটি সত্য ঘটনা এবার বড় পর্দায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’ বর্তমান সিনেমার ভাষায় সেই সময়ের গল্পকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। ১৬ অক্টোবর আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। ফিল্ম ম্যানিয়া প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রটির গল্প, চিত্রনাট্য এবং পরিচালনা করেছেন নির্মাতা মুনতাসির আকিব।
‘চিরকুট’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া একটি সময়কে বর্তমান প্রজন্মের দর্শকদের সামনে নতুনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। চলচ্চিত্রটির অন্যতম আকর্ষণ হলো এর বিশাল অভিনয়শিল্পী দল। এতে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, আজিজুন মিম, কাজী নওশাবা, সুমন পাটোয়ারী, তেহজিব, আব্দুল্লাহ আল সেন্টু, সঞ্জিব আহমেদ, শাওন আশরাফ, ইকবাল, আজমল মিঠু, সিয়াম নাসির, শিমুল, সাদি খান, শামীম আহসান, শেখ চাঁদনী, মাহিরা হাসান, ইব্রাহিম সুজনসহ আরও অনেকে।
শুধু পেশাদার অভিনয়শিল্পীরাই নয়, ‘চিরকুট’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। চলচ্চিত্রটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন শিক্ষার্থী অভিনয় করেছেন। ফলে সিনেমাটিতে শুধু গল্পের সময়কালই নয়, তৎকালীন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের আবহও বড় পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
নির্মাতা মুনতাসির আকিব বলেন, “টিজার, ট্রেলার আর রোমান্টিক গান 'প্রেমে গেলাম ডুবে' রিলিজের পর থেকে এতো রেসপন্স পাচ্ছি যা দেখে আমি অভিভূত। চিরকুট একটি বিশুদ্ধ বাংলা সিনেমা। নব্বই দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা থেকেই ‘চিরকুট’-এর গল্পের সূত্রপাত। সেই সময়ের পরিবেশ, মানুষের আবেগ এবং ঘটনাটিকে সিনেমার ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। দর্শক যেন শুধু একটি গল্প দেখেন না, বরং একটি সময়কে অনুভব করতে পারেন—সেটাই আমাদের চেষ্টা। আশা করি চিরকুট এবারের দুর্গাপূজার আনন্দকে বাড়িয়ে দেবে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন