প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের মুম্বাইয়ে শিবাজী পার্কে সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ার কারণে নতুন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)।
দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্দোলনের বিষয়টি ঘোষণা করেন। ঘোষণার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২ অক্টোবর ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত মুম্বাইয়ে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ অনুষ্ঠিত হবে তরুণদের এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ২ অক্টোবর শিবাজী পার্কে বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি চেয়েছিল সিজেপি। তবে মুম্বাই হাইকোর্টের ২০১৩ সালের এক আদেশের ভিত্তিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মুম্বাই পুলিশ জানায়, শিবাজী পার্ক কেবল ক্রীড়া সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা যাবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এই কর্মসূচির কারণে আবাসিক এলাকায় ‘শব্দদূষণ’ সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি আশেপাশের এলাকায় বড় হাসপাতাল থাকার কারণে প্রতিবাদ থেকে সৃষ্ট যানজট রোগী পরিবহনে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
মুম্বাই পুলিশের এমন অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্দের গত জানুয়ারিতে একই স্থানে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার ভিডিও শেয়ার করে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রশ্ন তোলেন, শিন্দে কীভাবে সেখানে অনুষ্ঠানের অনুমতি পেয়েছিলেন?
এদিকে, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা যায়, ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেন্সিভ রিভিশন (এসআইআর) সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্তে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার। এই প্রতিবেদনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায় ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি।
সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী এসআইআর সম্পর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত তাদের না জানিয়েই নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানান।
গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সিজেপি হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, শনিবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে। দীপ তখন এই ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘চলুন, এই গান্ধী জয়ন্তীতে আমরা গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার করি।’
তিনি আরও জানান, আন্দোলনটি মুম্বাই থেকে শুরু হয়ে পরবর্তীতে ভারতের অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন