প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের বড় অংশজুড়ে সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে আগামী শুক্রবার, ১০ জুলাই, দেশটির উত্তর, মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)।
উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে এই অতিবৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নদীগুলোর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা ভাটি অঞ্চলে সৃষ্টি করতে পারে বন্যা পরিস্থিতি।
ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতাও দিয়েছে আইএমডি। সংস্থাটি বলছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে আগামী তিন থেকে চার দিন ভারতজুড়ে এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
আইএমডি জানায়, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এসব অঞ্চলের অনেক জায়গায় বজ্রপাত ও তীব্র বজ্রপাতের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
আসাম ও মেঘালয়ের পাহাড়ি অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি নেমে এসে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জ এবং ত্রিপুরার বৃষ্টিতে পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি বিপৎসীমা পার করতে পারে। ফলে বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতির ওপর এর বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তর-পূর্ব ভারতের পাশাপাশি, দেশটির রাজধানী দিল্লি ও পাশের এলাকা আবারও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দিল্লি, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের জন্য ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি। টানা বৃষ্টির কারণে শহরের নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
পাহাড়ি রাজ্য উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশেও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। উত্তরাখণ্ডে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশেও বৃষ্টি ছড়াবে।
বিহার রাজ্যেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে আইএমডি। প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড ও উড়িষ্যায় বজ্রপাতসহ ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। মধ্য প্রদেশের বিভিন্ন অংশেও অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ক্যারি কাটা, তেলেঙ্গানা ও তামিলনাড়ুর কিছু অংশেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রাজস্থান ও পাঞ্জাবের বাকি অংশে মৌসুমি বায়ু আগামী দুই-তিন দিনে পুরোপুরি ঢোকার জন্য পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে। নিচু এলাকা ও বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন