প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমী মানুষের এক বড় অংশ আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পক্ষেভুক্ত। বিশ্বকাপ এলেই তারা প্রিয় দলকে নিয়ে যে উৎসাহ প্রকাশ করেন, তা এক নতুন মাত্রা পায়। জার্সি কেনা, পতাকা টাঙানো, এবং বৈঠক করে একসঙ্গে খেলা দেখা— এই সবকিছুর মধ্যে সঙ্গী হয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের আধিপত্য। ২০২৬ বিশ্বকাপে, যা উত্তর আমেরিকায় চলছে, সেখানে তাদের উন্মাদনাও একই রকম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাজার হাজার মাইল দূরে এ অঞ্চলে বিশ্বকাপের আয়োজন হলেও, বাংলাদেশের অনেকে প্রিয় দলের ম্যাচকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করছে। এ ক্ষেত্রে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) উল্লেখযোগ্য। এর আগে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের অনন্য উচ্ছ্বাসের জন্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে শুধু আর্জেন্টিনা নয়, ব্রাজিলের সমর্থকরাও নিজেদের উন্মাদনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশি ভক্তদের আবেগ ও উদযাপন নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ব্রাজিলের বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম ও’ গ্লোবো। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে ব্রাজিল। এই জয় শুধু ব্রাজিলেই নয়, এটি উৎসবের পরিবেশ তৈরি করেছে হাজার মাইল দূরের বাংলাদেশেও। ব্রাজিলের প্রত্যেকটি গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, গোল উদযাপনে বাদ্যযন্ত্র বাজানো, গান গাওয়া এবং লাফিয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন ব্রাজিলভক্তরা। ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এই ম্যাচ উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন ছিল। সেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, সমর্থকদের উল্লাসের অন্যতম কারণ ছিল নেইমারের ফিরে আসা। দুই বছরেরও বেশি সময় পর ব্রাজিলের জার্সিতে বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠে নামেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তাঁকে মাঠে নামতে দেখে উপস্থিত দর্শকেরা করতালি এবং উল্লাসে মেতে উঠেছিলেন। ম্যাচ আয়োজনকারী প্ল্যাটফর্ম ‘লাইফ ইন ডিআইইউ’ এক পোস্টে লিখেছে, ‘একটি পুরো প্রজন্ম এই মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষা করেছে। স্বাগতম কিং নেইমার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন