১১:২৩ পি.এম
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে যুবদলের সাবেক এক নেতাকে গুলি করার অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উঠেছে।
এই ঘটনায় মো. সোহাগ ওরফে সোহেল (৩৫) নামে ওই যুবদল নেতা আহত হয়ে পড়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে, উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে দোকানে ঢুকে জামায়াত কর্মীকে গুলি করলো মুখোশধারীরা
গুলিবিদ্ধ সোহেল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। তিনি রসুলপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়ির মাহফুজ মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই চার বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেন সোহেল। গত বুধবার দুপুরে, পাশের আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় রসুলপুর গ্রামের যুবদল কর্মী সুমনকে পথরোধ করে মারধর করেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় সোহেলের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এর ফলে রোববার সন্ধ্যায়, জামায়াত-শিবিরের নেতা ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে সোহেলকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করেছেন, গোপালপুর ইউনিয়নে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি না করলে বসবাস করা কঠিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা যুবদল নেতা সোহেলকে বাড়িতে গুলি করে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ বিজিবি সদস্য আটক
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাস্টার আবু তাহের। তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোন নেতাকর্মী জড়িত নয়।
বেগমগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শ (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান জানান, এলজির ছররা গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। আঘাত তেমন গুরুতর নয়। রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন