প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের টিকিট পায় আলবিসেলেস্তারা। বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম এ ঘটনা ঘটে। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পরও রোমাঞ্চকর জয় অর্জন করেছিল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডকে হারানোর দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ১৫ জুলাই, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক সেমিফাইনাল জয়ের মাস পেরোনোর আগেই ‘জাতীয় ফুটবল দল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এএফএ। এ কারণে প্রতিবছর এই দিনটি দেশে বিশেষভাবে পালন করা হবে। বুধবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এএফএ’র নির্বাহী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এক বিবৃতিতে আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থা জানায়, লিওনেল স্কালোনির দল শুরুতে থ্রি লায়ন্সদের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়লেও হাল ছাড়েনি। এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের জোড়া গোলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দল জয় পায়। সেই ঐতিহাসিক জয় পুরো আর্জেন্টিনা জাতিকে আনন্দাশ্রুতে ভাসিয়েছিল এবং দেশটির লাখো মানুষ রাজপথে নেমে জয়োল্লাসে মেতে উঠেছিলেন। আর্জেন্টিনার সেই জয়ের পরপরই বিতর্কও শুরু হয়, যা গড়ায় ফিফা তদন্ত পর্যন্ত। খেলা শেষে গ্যালারি থেকে ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ লেখা একটি ব্যানার মাঠে ছুড়ে দেন এক সমর্থক। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো সেটি কুড়িয়ে নেন এবং খেলোয়াড়রা তা উঁচিয়ে ধরে উল্লাস করেন। সেই ছবি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ আটলান্টিকের ফকল্যান্ড দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১৯৮২ সালে তৎকালীন সামরিক জান্তার অধীনে থাকা আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ৭৪ দিনের সেই যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন ও ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা প্রাণ হারান, আর জয় পায় যুক্তরাজ্য। রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক এই সংবেদনশীলতার কারণে ব্যানার কাণ্ড নিয়ে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক নালিশ জানায় ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। যার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন