প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানী ঢাকায় ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হলে ফায়ার সার্ভিস নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি এর মধ্যে উল্লেখ করেন যে ঢাকায় যদি ৭ মাত্রা বা তার বেশি ভূমিকম্প আঘাত হানে, তাহলে ফায়ার সার্ভিস নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
একই সময়ে অসংখ্য স্থানে উদ্ধার তৎপরতা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকায় বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ প্রশিক্ষণের আয়োজন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্যদের জন্য দুই দিনব্যাপী করে ফায়ার সার্ভিস।
এদিকে ভূমিকম্প মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ১০০টি স্টেশনকে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার আওতায় এনেছে। তিনি জানাতে বলেন, প্রধান লক্ষ্য হলো বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এসব স্টেশন থেকে জনবল এবং সরঞ্জাম দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হবে। এর অংশ হিসেবে একটি ড্রাই এক্সারসাইজ সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ছোট আকারের উদ্ধার সরঞ্জাম এবং ফায়ার ফাইটার পরিবহনের বিষয়েও কাজ চলছে।
জাহেদ কামাল বলেন, দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল এবং টানেলের মতো নতুন অবকাঠামো ঘিরে বিশেষ ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এসব স্থানে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইতিমধ্যেই একটি ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সহযোগিতায় তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি বলেন, শুধু ফায়ার সার্ভিস নয়, দুর্যোগকালে গণমাধ্যমেরও আগাম প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন টেলিভিশন এবং সংবাদমাধ্যম নিজেদের মধ্যে এলাকা ভাগ করে পরিকল্পনা করলে সরকারের কাছে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য পৌঁছানো সহজ হবে এবং উদ্ধার কার্যক্রমও আরও কার্যকর হবে।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান শিকদারের সঞ্চালনায় এসময় প্রশিক্ষক ছিলেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক ছালেহ উদ্দিন, ওয়ারহাউজের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ারুল ইসলাম, স্টেশন অফিসার মো. তালহা বিন জসিম এবং স্টেশন অফিসার মো. আশেক আল মারুফ। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্, প্রশিক্ষণ সম্পাদক শাহরিয়ার জামান দিপস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন