প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চৌহালী ও টাঙ্গাইল যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা ১১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত। বাঁধটির তিনটি স্থানে ভাঙনের ফলে বিলীন হয়েছে বসত ভিটা ও ফসলি জমি, এবং হুমকির মুখে রয়েছে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক ঘরবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনার পানি কয়েক সপ্তাহ ধরে কমতে থাকায় নদীর তীরবর্তী চৌহালী উপজেলার সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের পূর্বপ্রাপ্ত বারবয়লা থেকে বোয়ালকান্দি পর্যন্ত অর্ধকিলোমিটার এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদী তীরে গভীরতা সৃষ্টি হয়েছে, ফলে ঘরের চাল ও আসবাবপত্র খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখতে হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দা নেজমত আলী, নুরুজ্জামান ও আব্দুল খালেক জানান, চৌহালী-টাঙ্গাইল নদী তীর রক্ষায় প্রায় আড়াই বছর আগে নির্মিত বাঁধে গত এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে তিনশ মিটার এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। কয়েকটি বসতভিটা নদীতে চলে গেছে। পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, অনেক বসত বাড়ি, সবজি ক্ষেত ও ফসলি জমি হুমকির মুখে রয়েছে। তবে এখনও বাঁধ সংস্কার বা পরিদর্শনে কেউ আসেনি। ভাঙন অব্যাহত থাকলে তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জেলহক আলী বলেন, "নদী ভাঙ্গন যমুনার চরবাসীর পিছু ছাড়ছে না।" ১১৩ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধের তিনটি স্থানে প্রায় সাড়ে তিনশ মিটার ভেঙে গভীরতা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসত বাড়ি রক্ষায় দ্রুত মেরামত প্রয়োজন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকার ভাঙন নিয়ে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল পাউবোর মধ্যে রশি টানাটানি চলতে পারে না। জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ স্থায়ী সমাধানে পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে।
ভাঙন এলাকা তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রাখিল রায়হান জানান, "ভাঙন এলাকার কাজ বর্ষায় করেছে সিরাজগঞ্জ পাউবো অফিস।" তবে টাঙ্গাইলের সীমান্তবর্তী হুঘরা এলাকার ভাঙনের বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
চৌহালী ও টাঙ্গাইল যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন