প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা জোটের পরিধি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন যেকোনো দেশ, যারা অভিন্ন নীতিতে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এই জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ খোলা রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, এই চুক্তি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি প্রতিবেশী ইরানসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘমেয়াদী দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ জানান, তিন দেশের অভিন্ন নীতি হচ্ছে অন্য কোনো দেশে আগ্রাসন না করা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। সম্মিলিত প্রতিরোধের মূলনীতির ভিত্তিতে এই জোট গঠিত হয়েছে। নতুন অংশীদার হিসেবে যারা এই নীতিগুলো সমর্থন করবে, তাদের জন্য যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে নতুন দেশ যুক্ত করার সময় ও প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবেন তিন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এটিকে সামগ্রিক কোনো মুসলিম সামরিক জোট হিসেবে উল্লেখ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই চুক্তিকে মূলত একটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা ত্রিদেশীয় সম্পর্ককে এখন একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক কাঠামো দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে এই চুক্তির ফলে ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো টানাপোড়েন সৃষ্টি হবে না। তারা উল্লেখ করেছে, প্রতিটি দেশের সঙ্গে পৃথক ও স্বাধীন কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা হয়। ঠিক যেমন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের প্রভাব চীন বা ইরানের সম্পর্কের ওপর পড়ে না। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পাকিস্তান চায় আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে অঞ্চলটিতে স্থায়ী শান্তি ফিরে আসুক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন