প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হতে পারে, এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার যদি হাইকোর্টে রিট দাখিল করে, তাহলে হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হয়ে যেতে পারে। আজ মঙ্গলবার, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে, রাশেদ খান এই মন্তব্যটি করেছেন। চট্টগ্রাম-৪ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করে, আজ মঙ্গলবার রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না। এই পরিপ্রেক্ষিতে, রাশেদ খান ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন যে, শেখ হাসিনা রেজিমে আসলাম চৌধুরী দীর্ঘ সময় বরাবর কারাবন্দি ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে, ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক এবং ফলস্বরূপ তিনি ঋণখেলাপি হয়ে যান। শেখ হাসিনার দমননীতির ফলশ্রুতিতে আসলাম চৌধুরীকে ঋণখেলাপি হতে বাধ্য করা হয়েছে। এজন্য তাকে নিয়ে কটাক্ষ করার কোনো অবস্থা নেই। তিনি মন্তব্য করেন, আইন তার নিজ গতিতে চলমান থাকার কারণে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও আসলাম চৌধুরী এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারলেন না। রাশেদ খান আরও বলেন, যদি আসলাম চৌধুরী জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদের মতো তার স্ত্রীর নামে ঋণ নিতেন, তাহলে তাকে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো না। জামায়াতের নেতারা এ ক্ষেত্রে বিএনপির নেতাদের চেয়ে বেশি সফল ও চালাক। এছাড়াও, রাশেদ খান উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, যদি হলফনামায় ভুল তথ্য প্রদান করা হয়, তাহলে এমপি পদ বাতিল হয়ে যাবে। এখানে হান্নান মাসউদ নিজেই তার হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি মান্য করেছেন। সুতরাং, হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার হাইকোর্টে রিট দাখিল করলে, হান্নান মাসউদের এমপি পদও বাতিল হয়ে যেতে পারে। আইন তার নিজ গতিতেই চলুক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন