প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফেনীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় নির্বিচারে ফাঁসির রায় দেওয়ার জন্য ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ওই সময়ের বিচারক মামুনুর রশিদের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের পক্ষ থেকে।
আদালত রায়ে উল্লেখ করেছে, বিচারিক আদালত নির্বিচারে ফাঁসি প্রদান করে যেভাবে প্রতিটি পরিবারের ওপর একটি বিপর্যয় নেমে এসেছে, সেই কারণে তার বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো এবং তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হলো।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ নুসরাত হত্যা মামলার রায়ে এই আদেশ দেন।
বহুল আলোচিত এই মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল এবং জেল আপিলের ওপর শুনানি নিয়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্ট বহাল রেখেছে। যাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে তারা হলেন— সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা এবং শাহাদাত হোসেন শামীম। এ ছাড়া ১০ আসামিকে খালাস এবং চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট।
আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন