প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝাড়খন্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে বিধানসভা ঘিরে আন্দোলন করা চাকরিপ্রার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের ঘটনাটি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তীব্রভাবে নিন্দা করেছেন।
ইন্ডিয়া জোটের শরিক দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) শাসিত রাজ্যে এই ঘটনাটি নিয়ে বিজেপি রাহুল গান্ধীর নীরবতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে। এর পরই তিনি এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, "শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে" এবং তিনি এও স্পষ্টভাবে জানান, "কেবল আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব।" ঝাড়খণ্ড সরকারের উচিত অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনা এবং তাদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করা।
এদিকে, ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিসি) এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (জেএসএসসি)-এর নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে বিগত ১৭ দিন ধরে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ৫১তম জন্মদিনে পুরোনো বিধানসভা ভবন প্রাঙ্গণ থেকে আন্দোলনকারীরা 'বিধানসভা ঘেরাও' কর্মসূচির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
আন্দোলনকারীরা যখন পুলিশের তৈরি করা ব্যারিকেড ভেঙে বিধানসভা চত্বরের দিকে এগোতে চেষ্টা করেন, তখন পুলিশ তাদের ওপর চড়াও হয়। টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ, জলকামান এবং বেপরোয়া লাঠিচার্জের কারণে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন। এই মিছিলে গত নয় দিন ধরে অনশনরত ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চার নেতা দেবেন্দ্র নাথ মাহাতো অ্যাম্বুলেন্সে করে এসে যোগ দিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ হলো, সরকার এ পর্যন্ত মাত্র ৩টি বিতর্কিত পরীক্ষা বাতিলের আশ্বাস দিলেও বাকি ১০টি পরীক্ষা বাতিলের দাবি অস্বীকার করায় এই আলোচনার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন