প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিটন দাস দলের নেতৃত্ব দেবেন সামনে থেকে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তার কাছে এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। এশিয়ান গেমসের দুটি ইনিংসে তার রান ছিল ২ ও ০।
দলের খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে লিটনের ওপর চাপ বেড়ে গেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তা স্পষ্টভাবে অনুভব করেছেন। এই ব্যর্থতার পর অধিনায়ক হিসেবে পদত্যাগ করবেন কি না, এমন প্রশ্ন উঠেছে।
লিটন এর জবাবে বলেন, পদত্যাগ করার মতো কিছু ঘটেনি। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, "না, রিজাইন করতে চাই না। ক্রিকেটে উত্থান-পতন থাকে। একদিন ভালো হবে, একদিন খারাপ হবে। এখানে রিজাইনের তো কিছু নেই।"
লিটনের এই জবাব সাংবাদিকদের সন্তুষ্ট করতে পারেনি। পদত্যাগের বিষয়ে আবার প্রশ্ন করা হলে, তিনি কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, "পদত্যাগ করে দিব? আচ্ছা এশিয়ান গেমস থেকে পদত্যাগ করলাম। দয়া করে পরের প্রশ্ন।"
শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৩ রানের পরাজয়ের পর লিটন মন্তব্য করেন, "হারের ব্যাখ্যা আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি। আমার কাছে মনে হয়েছে প্রথম ৮ ওভার খুবই ভালো বোলিং করেছি। এরপর আপনারা দেখেছেন যে একজন ব্যাটার এসে যে রকম শট খেলেছে এই উইকেটে, খুবই ডিফিকাল্ট। কিন্তু সে এক্সট্রাঅর্ডিনারি ব্যাটিং করায় আমাদের বোলাররা কোনো ক্লু পায় নাই এখান থেকে কীভাবে কামব্যাক করবে। তাই তাকে ক্রেডিট দিতেই হয়, এক্সট্রা-অর্ডিনারি ইনিংস খেলেছে সে। আর আমরা যখন ব্যাটিংয়ে গিয়েছি, কোনোভাবেই ওটা কাভার আপ করতে পারিনি। আমাদের ব্যাটিংয়ের হিসেবে আমরা আজকে আপ টু দ্য মার্ক ছিলাম না।"
এশিয়ান গেমসের শেষ তিন আসরে বাংলাদেশ কোনো না কোনো পদক জিতেছে। এবার পদক না পাওয়ার বিষয়ে লিটন বলেন, "ব্রোঞ্জ জিততে না পারায় খারাপ লাগছে। এখানে ফাইনালের টার্গেট নিয়ে এসেছিলাম। সেটা যখন হয়নি, তারপর আরেকটা অপশন ছিল। সুযোগটা আমরা মিস করেছি।"
অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্টকে না জানিয়ে ঘোরাঘুরি করার কারণে বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার প্রশ্নের মুখে পড়েছেন। ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হলে, সতীর্থদের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন বলেন, "একজন প্লেয়ার কি সারাদিন রুমের ভেতর বন্দি হয়ে বসে থাকবে? এখানের খাবার-দাবারে যখন একটা প্লেয়ারের কাভার হচ্ছে না, তখন তাকে তো রুম থেকে বের হতেই হবে। আর খেতে চাইলে বাইরে যেতে হবে। আমাদের কাছে যদি অনুশীলন করার অপশন থাকত, তাহলে তো আর বাইরে যেতে হতো না।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন