প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর, প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তার উত্তরসূরী মোজতবা খামেনি। সম্প্রতি একটি কট্টরপন্থী ইরানি পত্রিকা সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইউরোপের নেতাদের নাম।
মোজতবা খামেনি বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর, শনিবার, তার প্রথম প্রকাশ্য বার্তায় প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, 'প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের জাতির দাবি, এটি নিতেই হবে। তালিকায় থাকা অপরাধীরা বিছানায় শান্তিতে মরার আক্ষেপ নিয়েই কবরে যাবে।' তবে, তিনি নির্দিষ্টভাবে কোনো নাম প্রকাশ করেননি।
পরে, সরকারি পত্রিকা হামশাহরি অনলাইনে একটি গ্রাফিক প্রকাশ করে, যেখানে একটি তালিকায় ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি রয়েছে। এই তালিকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তালিকায় জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ ম্রেৎস, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও আছেন। তবে এই তালিকা সরকারিভাবে অনুমোদিত কি না, তা স্পষ্ট নয়, কারণ রোববারের ছাপানো পত্রিকায় এটি ছিল না।
ইরানের অভিযোগ, সংঘাতের সময়ে ইউরোপের কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিয়ে সহায়তা করেছে, এবং তারা ইরানে হামলার বিরুদ্ধে কোনো নিন্দাও জানায়নি। খলিজ টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, যে হামলায় আায়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন, সেখানে মোজতবা খামেনিও আহত হয়েছিলেন। সংঘাতের পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন