প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেছেন, অনেক কষ্ট করে এদেশের গণতন্ত্র আবার ফেরত এসেছে। যারা টাকা পাচার করেছে, সরকার তাদের ছাড়বে না। আমি বলতে চাই, বাংলাদেশের কর্মঠ মানুষকে বিভ্রান্ত কইরেন না। সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ কইরেন না। সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিছু খারাপ ব্যবসায়ী যাদের উদ্দেশ্যেই থাকে দেশকে সমস্যাই ফেলবে। তারা জনগণের টাকা মেরে দেয়ার জন্য এসব কাজ করে থাকে।
বুধবার বিকেলে রুপগঞ্জে নিজ বাড়িতে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে অনেকেই অনেকভাবে কথা বলছে। কিন্তু সরকারের মাত্র ৬ মাস অতিবাহিত হয়েছে। ৬ মাসের মধ্যে আগের সরকারের দুর্নীতিগুলো কাটিয়ে উঠার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো। এটা সংকট বলা যায় না; কিছুটা পেশার আপডাউন করছে।
তিনি আরও বলেন, রুপগঞ্জে লোডশেডিং অনেক কমে গেছে। আড়াইহাজারে পাওয়ার স্টেশন উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এটা হয়ে গেলে রুপগঞ্জের কারখানাগুলোতে বিদ্যুতের সমস্যা আর থাকবে না। ৬ মাসে বিজেএমই এবং বিকেএমইএর তথ্য অনুযায়ী ৩১টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এটা হতেই পারে; অনেক সময় বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে যায়। ম্যানেজমেন্টের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি রুপগঞ্জের একটি কারখানার উদাহরণ দিয়ে বলেন, রুপগঞ্জের যে সকল কারখানা বন্ধ হয়েছে যেমন-একটা কারখানার কথা বলি এই কারখানার লোন আছে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা; এই টাকা পাচার করেছে। সে তিন চার মাস ধরে মেশিনারিজ বিক্রি করে দিয়েছে। সে শ্রমিকের বেতন না দিয়ে এই কাজ করেছে। তিনদিন আগে গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংকট দেখিয়ে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি বলছেন দুই বছর নাকি গ্যাস বিদ্যুৎ থাকবে না। তিনি সুযোগ খুঁজছিলেন সরকারের উপর দোষ চাপিয়ে কারখানা বন্ধ করে দেয়ার জন্য। আবার সে বড় গলায় বলতেছে, পাঁচটি কারখানা বন্ধ করে দিয়েছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন