প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ মন্তব্য করেছেন যে, দেশের খাদ্য উৎপাদনকে ব্যাহত না করে চরাঞ্চল, লবণাক্তপ্রবণ এলাকা, খরাপ্রবণ অঞ্চল এবং অন্যান্য কম ফসলি জমিতে তুলা চাষের পরিমাণ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি দেশের তুলার মানের প্রশংসা করে বলেন, তুলা উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সুনির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি এবং বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
আজ বিশ্ব তুলা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর খামারবাড়িস্থ তুলা ভবনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সীমিত কৃষিজমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রেখে কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এজন্য যেসব এলাকায় প্রচলিত খাদ্যশস্য উৎপাদন তুলনামূলক কম, সেখানে তুলাসহ বিকল্প ফসলের আবাদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষি গবেষণা এবং উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। কম জমিতে বেশি উৎপাদন, উন্নতমানের পণ্য এবং উৎপাদন খরচ কমানোর মাধ্যমে কৃষিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা সম্ভব। গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প এবং বিনিয়োগে সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে প্রকল্পের উদ্দেশ্য কার্যকর এবং লাভজনক উৎপাদন নিশ্চিত করা হতে হবে।
মন্ত্রী রঙিন তুলার সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, প্রাকৃতিকভাবে রঙিন তুলা উৎপাদন করা গেলে কাপড় তৈরিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক রং ব্যবহারের প্রয়োজন কমে যাবে। পরিবেশবান্ধব এবং রাসায়নিকমুক্ত পণ্যের বিশ্ববাজারে চাহিদা রয়েছে।
তুলা উৎপাদন সম্প্রসারণের জন্য বিস্তারিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে তুলার উৎপাদন ৫ লাখ বেলে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর কত জমিতে আবাদ বাড়ানো হবে, কোন কোন এলাকায় নতুন করে তুলা চাষ সম্প্রসারণ করা হবে এবং কতজন কৃষককে সম্পৃক্ত করা হবে-এসব তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনায় উল্লেখ থাকতে হবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সলিম খান এবং সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক এএসএম গোলাম হাফিজ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন