প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াত-শিবির ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করে বিরোধী রাজনৈতিক বক্তব্যে তেজস্বী কণ্ঠের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভিপি নুরকে খেপানোর খেসারত জামায়াত-শিবির-এনসিপিকে করুণভাবে দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধী রাজনৈতিক চরিত্রে বক্তব্যের মধ্যে তেজস্বী ভাব থাকা আবশ্যক, জামায়াত-শিবির এবং এনসিপি মিলিত হয়ে এমন একজন নেতা তৈরি করতে পারেনি। নেতার যে বারুদ বজ্রকণ্ঠ জনতার রক্তে শিহরন ও উন্মাদনা সৃষ্টি করে, সেই ধরনের কোনো চরিত্র জামায়াত-এনসিপিতে নেই। জেল-জুলুম এবং ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এমন বলিষ্ঠ কণ্ঠ তৈরি হয়।
রাশেদ খান আরও লেখেন, গুপ্ত রাজনীতি অর্থাৎ গোপনে শিবির এবং প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করে এই বারুদ কণ্ঠ অর্জন করা সম্ভব নয়।
নুরুল হক নুরের বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আজকে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের মিসাইলে মগবাজার এবং বাংলামোটর তছনছ হয়ে গেছে। বিরোধী রাজনীতিতে ভিপি নুরের কণ্ঠ থেকে যে বারুদ বের হতো, সরকারে যাওয়ার কারণে তা অনেকটা নমনীয় হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আজকে জামায়াত-এনসিপির ভণ্ডামির বিরুদ্ধে আবারও সেই তেজস্বী নুরকে দেখা গেল।
তিনি আরও লেখেন, শুধু এতটুকুই বলব, ভিপি নুরকে খেপানোর খেসারত জামায়াত-শিবির-এনসিপিকে করুণভাবে দিতে হবে। আমি ভিপি নুরের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে জানি, ভিপি নুর কী জিনিস, ভিপি নুর মানেই একটা বারুদ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন