প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিতের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হামলা শুরু করেছে। এদিকে তেহরানও প্রতিশোধমূলক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর মতে, মঙ্গলবার (৯ জুন) জিএমটি সময় রাত ১০টায় এই হামলা শুরু হয় এবং এটি ‘ইরানের অযৌক্তিক আগ্রাসনের একটি আনুপাতিক জবাব।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি জানায়, প্রথম দফায় হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে এবং সিরিক ও জাস্ক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
এছাড়া, বুধবার জাস্কে এবং বন্দর আব্বাসে আরও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হেলিকপ্টারটি ভূপাতিত করার জন্য ইরানকে দায়ী করেন।
তিনি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে দেয়া এক বিবৃতিতে লিখেছেন যে, প্রণালীর ওপর টহলরত অবস্থায় ইরান বিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে এবং ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই এই হামলার জবাব দেবে।
ট্রাম্প বলেন, বিমানের উভয় ক্রু সদস্যকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
বিষয়ে, সেন্টকম জানায়, বিধ্বস্ত মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের দুই ক্রু সদস্যকে একটি আমেরিকান সি ড্রোনের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ধরনের অভিযানে ওই বিশেষ যান ব্যবহারের বিষয়টি মার্কিন সামরিক বাহিনী এই প্রথম জনসমক্ষে নিশ্চিত করেছে।
এছাড়া, মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরান হামলাটি চালাতে একটি ড্রোন ব্যবহার করেছে। তবে ইরানি ড্রোনটি ইচ্ছাকৃতভাবে হেলিকপ্টারটিতে হামলা করেছিল কি না, তা স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা, যিনি বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএস নিউজকে এ কথা জানিয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইরানের ভূখণ্ডের কাছে থাকা বিদেশি সামরিক বাহিনী ক্রমাগত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং পরে তিনি নতুন মার্কিন হামলার জবাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি এক্স-এ লিখেছেন, ‘ইরানি বাহিনী কোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে ছাড়বে না। নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে চলে যান।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন