প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছে, পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের মধ্যে আঁতাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে।
দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, এ ধরনের তথ্য পাওয়ার পর শুধু জনসভায় বক্তব্য দিয়ে বা জনগণকে সতর্ক করে দায়িত্ব শেষ করার সুযোগ নেই। প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের মধ্যে আঁতাত এবং অর্থ সরবরাহের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য থাকার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট।
তিনি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, পতিত স্বৈরাচার সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে এবং বিরোধী দলের একটি অংশ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব আরও বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে তারা জানতে চান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরেও কেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচার দেশে ফিরতে চাইবে, এটা অনুমান করা যায়। তাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে দুটি পদক্ষেপ জরুরি ছিল। একটি হলো, স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা। অন্যটি হলো, স্বৈরতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঠেকাতে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা। কিন্তু সরকার এর কোনোটিই করেনি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, স্বৈরাচারের সঙ্গে আঁতাত করে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগ ওঠার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে জাতি উদ্বিগ্ন।
তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিবাদ আসেনি। বিষয়টি নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। অভিযুক্তদের নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করা উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন