প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় বরযাত্রীর গাড়ি আটকে তামান্না আক্তার নামের নববধূকে তুলে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে নববধূকে বলতে শোনা যায়, “আমি যেমনেই আইছি, জোর কইরা হোক, নিজের ইচ্ছায় হোক, যেমনেই হোক, আইছি তো আইছিই। এহন যদি যাইগাও, গেলেও তো আমার মান-সম্মান ফিরা আইতো না, আমার বাপ-মার মান-সম্মানও ফিরা আইতো না। গেইলেও কোনো লাভ নাই। আমি আইছি, এনেই থাকবাম।”
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তামান্না একটি কক্ষে বসে আছেন। তার পাশে ছয়জন নারী এবং সামনে একজন পুরুষ বসে রয়েছেন। ভিডিওতে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মিয়াদকে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, তবে ভিডিওটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। বরপক্ষ একটি অভিযোগ দিয়েছে। গতকাল রাতে মেয়েটি ভিডিও বার্তায় নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। যদি কেউ মামলা করে, তবে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আবুল মিয়ার মেয়ে তামান্না আক্তারের সঙ্গে নান্দাইল উপজেলার এক যুবকের বিয়ে হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে নিয়ে বর ও বরযাত্রীরা মাইক্রোবাসে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু হাজিপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে ২০ থেকে ২৫ জন যুবক মাইক্রোবাসটির গতিরোধ করেন। আতিকুর রহমান মিয়াদের নেতৃত্বে তারা গাড়িটি থামান। পরে মাইক্রোবাসে ভাঙচুর চালিয়ে তামান্নাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয় যে তামান্না ও আতিকুর রহমান মিয়াদের মধ্যে আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার পর মিয়াদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লেখেন, “জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই..!” এর মধ্যেই গতকাল রাতে ওই নববধূর ভিডিও বার্তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও অভিযুক্ত যুবকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন