প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার তিনি গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠিয়ে এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে জামায়াতের আমির উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক সৈনিক এবং সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে রাজপথে নেমেছিল। তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মাধ্যমে তৎকালীন ষড়যন্ত্র ও সংকট মোকাবিলার একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় শুরু হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সংঘটিত পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশে যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা সেই পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে মুখরিত জনতার অংশগ্রহণে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয় আরও দৃঢ় হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশ ও জাতি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটের সম্মুখীন। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা প্রতিহত করতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন ও স্বৈরাচারী প্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার যেকোনো চেষ্টা প্রতিহত করা প্রয়োজন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সরকার এবং সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান। একইসাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সকল শাখা ও দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতাকে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন