প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ঘটে যাওয়া একটি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে রাইসুল ইসলাম সালফি (১৪) নামের এক স্কুলছাত্র। রবিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বাজিতপুর পৌরসভার সামনে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের ফলে সালফি আহত হয়।
রাইসুল ইসলাম সালফি বাজিতপুর আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে বাজিতপুর উপজেলার বলিয়ারদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিল্পী আক্তার ও রফিকুল ইসলাম রোকন দম্পতির একমাত্র সন্তান।
পুলিশ, পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে সালফি নিজেই তার বাবার মোটরসাইকেল চালিয়ে শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে কোচিংয়ে যাচ্ছিল। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় সালফির। প্রথমে তাকে জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করা হলে রবিবার তার মৃত্যু ঘটে।
সালফির মৃত্যুর খবর শুনে পরিবার, স্বজন, সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পরিবারটি শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে। এলাকাবাসী সড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অনেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে মোটরসাইকেলের মতো যানবাহন তুলে দেওয়ার বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
বাজিতপুর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর অটোরিকশাটি আটক করা হয়েছে। নিহত স্কুলছাত্রের পরিবার মামলা করতে চাইলে তা গ্রহণ করা হবে।
ওসি বলেন, ‘বাচ্চাদের হাতে মোটরসাইকেল তুলে দেওয়া পরিবারের একটি বড় ভুল।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন