প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যে কোন নতুন হামলার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও আরও ব্যাপক আকারে পাল্টা জবাব দেওয়ার ব্যাপারে একটি হুঁশিয়ারি প্রকাশ করেছে। তেহরানের একটি উচ্চপদস্থ নিরাপত্তা সূত্র আল মায়াদিনকে জানিয়েছে যে, চলমান উত্তেজনার আগে ইরান তার এই কঠোর অবস্থানের কথা ওয়াশিংটনকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়। সূত্রটি এ নিয়ে মন্তব্য করেছে যে, মার্কিন আগ্রাসন বিশ্ব জ্বালানি বাজারে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, সেটাও উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বলেছে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি তেলের চড়া দাম চান, তবে আমরা তাকে স্বাগত জানাই।"
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, দেশটির ওপর যেকোনো ধরনের আঘাতের ফল হবে তাৎক্ষণিক এবং আরও বড় পরিসরে। তেহরানে নিযুক্ত আল মায়াদিনের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর থেকে এটিই ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা। এবারের হামলায় দক্ষিণ ইরানের চাবাহার বন্দর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় চাবাহার বন্দরের দুটি সামুদ্রিক জেটি এবং একটি নেভিগেশন কন্ট্রোল টাওয়ারসহ বেশকিছু বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়াও মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের গোলার আঘাতে ইমাম আলী হাসপাতালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাবাহার ছাড়াও কোনারাক, সিরিক, জাস্ক, বুশেহর প্রদেশ, আবু মুসা দ্বীপ এবং উত্তর ইরানের যোগাযোগ অবকাঠামোতে মার্কিন হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এই মার্কিন হামলার পরপরই ইরান তার পাল্টা জবাবের প্রথম ধাপ শুরু করে দিয়েছে। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মেহের নিউজ এজেন্সি বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তরের কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবরও নিশ্চিত করেছে।
এছাড়া কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলেও জানিয়েছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। পরবর্তীতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায় যে, তাদের নৌ ও মহাকাশ বাহিনী কুয়েতে এবং বাহরাইনের আরিফজান, আলী আল-সালেম, জুফায়ার এবং শেখ ঈসা ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছে যে, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় আগ্রাসন চালায়, তবে অঞ্চলের অন্য সব মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা আরও জোরদার করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন