প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্বজনদের আনতে এবং গ্রিন কার্ডের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য স্পনসরদের নতুন সর্বনিম্ন আয়সীমা ২০২৬ সালের জন্য ঘোষণা করেছে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)। মূলত, ফর্ম আই-৮৬৪ বা ‘অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট’-এর আওতায় ফেডারেল দারিদ্র্যসীমার অন্তত ১২৫ শতাংশ আয় প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা থেকে এই নতুন আয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ৪৮টি স্টেট, ওয়াশিংটন ডিসি, পুয়ের্তো রিকো, গুয়াম এবং নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসের জন্য দুই সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে স্পনসরের ন্যূনতম বার্ষিক আয় ২৭ হাজার ৫০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে, পরিবারের সদস্যসংখ্যা তিনজন হলে আয় হতে হবে ৩৪ হাজার ১৫০ ডলার, চারজন হলে ৪১ হাজার ২৫০ ডলার এবং পাঁচজনের পরিবারের জন্য ৪৮ হাজার ৩৫০ ডলার দেখাতে হবে।
এছাড়া, ৬, ৭ ও ৮ সদস্যের পরিবারের জন্য স্পনসরের বাৎসরিক আয় যথাক্রমে ৫৫ হাজার ৪৫০, ৬২ হাজার ৫৫০ এবং ৬৯ হাজার ৬৫০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা যদি আটজনের বেশি হয়, তাহলে প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য ৭ হাজার ১০০ ডলার করে বাড়তি আয় যোগ করতে হবে।
হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে অন্যান্য স্টেটের তুলনায় এই আয়সীমা কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে। সেখানে দুই সদস্যের পরিবারের জন্য ন্যূনতম আয় ৩১ হাজার ১১৩ ডলার এবং আট সদস্যের পরিবারের জন্য ৮০ হাজার ৮৮ ডলার আয় দেখাতে হবে। এই অঞ্চলে আটজনের পর প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য ৮ হাজার ১৬৩ ডলার করে যুক্ত হবে।
ইউএসসিআইএস আরও জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর সক্রিয় সদস্য যারা নিজেদের স্বামী বা স্ত্রী অথবা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের স্পনসর করবেন, তাদের জন্য সাধারণ ১২৫ শতাংশের বদলে ১০০ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার আয় প্রযোজ্য হবে। তাছাড়া, মূল স্পনসরের প্রয়োজনীয় আয় না থাকলে নির্দিষ্ট নিয়মে জয়েন্ট স্পনসর যুক্ত করা কিংবা নিজস্ব সম্পদ দেখিয়েও গ্রিন কার্ডের আবেদন সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন