প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শাহিবজাদা ফারহান জয়ের মাধ্যমে অধ্যায়টি শুরু করেন। পাকিস্তানকে ৪ উইকেটের চমৎকার জয় এনে দেওয়ার জন্য তিনি টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক করেন। ৮৯ রানের ইনিংস খেলে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
রাওয়ালপিন্ডিতে ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শাহিবজাদা শুরু থেকেই ব্যাটে ঝড় তোলেন। ওপেনিং সঙ্গী ফখর জামানকে নিয়ে ৫.১ ওভারে ৫৪ রানের জুটি গড়েন। ফখর ২১ রানে আউট হন।
পাকিস্তানের জয়টি মূলত দ্বিতীয় উইকেটের জুটির কারণে সম্ভব হয়েছে। মাজ সাদাকাতের সঙ্গে ৯২ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন শাহিবজাদা। তবে সাদাকাত ৫০ রান করে ফিরে যান। অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকলেও শাহিবজাদা ম্যাচটি প্রায় জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। যখন জয়ের জন্য ৪ রান প্রয়োজন ছিল, ঠিক তখনই বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সাহান আরিচ্চাগের দুর্দান্ত ক্যাচে তিনি ড্রেসিংরুমে ফেরেন। ১৬৭.৯২ স্ট্রাইকরেটে ৮৯ রানের ইনিংসে ৪ ছক্কা ও ১০ চারের মার ছিল।
পাকিস্তানের জয়ে লাহিরু উদারার দুর্দান্ত ইনিংসটি ভেস্তে যায়। তিনি ওপেনিংয়ে নেমে ৯১ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন। ১৬৫.৪৫ স্ট্রাইকরেটে ১১ চার ও ১ ছক্কা দিয়ে সাজানো তার ইনিংসের ওপর ভিত্তি করেই টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১৮২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন পেসার নাসিম শাহ।
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টি আগামী ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচটি রাওয়ালপিন্ডিতেই অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন