প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ওমানের উপকূলে একটি বাণিজ্যিক তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় তিনজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, বুধবার (১০ জুন) ওমানের উপকূলীয় এলাকায় সেত্তেবেলো নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।
পালাউ-পতাকাবাহী জাহাজটিতে ২৮ জন নাবিক ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। জাহাজটি ওমানের সোহর বন্দরের প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে যাওয়ার সময় হামলার খবর জানিয়ে একটি বিপদ সংকেত পাঠায়।
ঘটনার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘ওমান উপকূলের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজ সেত্তেবেলো-তে হামলার ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এর নিন্দা জানাচ্ছি।’
মন্ত্রণালয় আরো জানায়, ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিখোঁজ নাবিকদের খুঁজে বের করতে চলমান অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে তারা ওমানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে।
এদিকে, হামলার ঘটনার পর পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “অঞ্চলটিতে জাহাজ চলাচলের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলো গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং চলমান সংঘাতের সরাসরি ফলাফল।”
ভারত অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে যে, কূটনৈতিক উপায়ে চলমান সংকটের সমাধান জরুরি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা উত্তেজনা কমানোর আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি এবং চলমান আলোচনাগুলো দ্রুত সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছি, যাতে অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।’
ভারত জানায়, আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপরও পড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তেলজাত পণ্যবাহী ট্যাংকারটি সন্দেহভাজন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। তবে এ ঘটনার দায় এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন