প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শোবিজ অঙ্গনের কাজের সুবিধার জন্য বা চিত্রনাট্যের প্রয়োজনের কারণে চরিত্রের পরিবর্তন অথবা কোনো কাজে বাদ পড়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ক্যারিয়ারে যেমন নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়, তেমনি কখনো কখনো বাদ পড়ার অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হয় তারকাদের। এই প্রসঙ্গে, অভিনেত্রী আইশা খান বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেন।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আইশা খান বলেছেন, কাজ থেকে বাদ পড়া একটি খুব সাধারণ বিষয়। তিনি বলেছেন, "আমার কাছে মনে হয়, এটাও এক ধরনের শিক্ষা। সবসময় যে আমি ভালো রেজাল্ট করব, এমন তো নয়। গ্রাফটা যখন উত্থান-পতন হয়, দেখতেও ভালো লাগে। আমাকে নিরহংকার থাকতে এটা হেল্প করে।"
গ্ল্যামার জগতের পরিচিত মুখদের প্রতিনিয়তই নানা আলোচনা-সমালোচনা মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিনোদন অঙ্গনের এই বাস্তবতাকে নিজের কাজের অংশ হিসেবে মনে করেন আইশা খান। তবে, সব ধরনের মন্তব্যকে সমান গুরুত্ব দেন না তিনি। বরং, গঠনমূলক সমালোচনাকেই তিনি গুরুত্ব देकर নিজের ভুলত্রুটি সংশোধনের চেষ্টা করেন।
এই বিষয় নিয়ে আইশা খান বলেন, "আলোচনা-সমালোচনা তো হবেই। আমরা যে জায়গাটাতে কাজ করি, সেই জায়গাটার এটা একটা কালচার। সব সমালোচনাকে যেমন আমি গুরুত্ব দিই না।"
তিনি বলেন, কোনো সমালোচনা যদি নিজের ভালো বা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় মনে হয়, সেটিকেই তিনি গুরুত্ব দেন। আইশা খানের ভাষায়, "যেটা আমি বুঝি, হ্যাঁ, এই সমালোচনাটা যে হচ্ছে আমাকে নিয়ে, এটা আমার কোনো ভালো বা এটা আমার শোধরানোর প্রয়োজন সেটাকে আমি সেরকমভাবেই টেককেয়ার করি।"
অভিনেত্রী আইশা খান কাজ থেকে বাদ পড়া কিংবা সমালোচনার মুখোমুখি যাওয়াকে হতাশার কারণ না ভেবে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, ক্যারিয়ারের উত্থান-পতনই মানুষকে বাস্তবতা বুঝতে শেখায় এবং নিরহংকার থাকতে সাহায্য করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন