০৬:৪০ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গুয়াম এবং নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দারা শুক্রবার জানালা ও দরজা মজবুতভাবে বন্ধ করতে শুরু করেছেন। তারা জরুরি খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত করছেন।
সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, একটি শক্তিশালী ঝড় বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রভাবশালী হয়ে ‘সুপার টাইফুন’ হয়ে উঠতে পারে। এটি দ্রুতগতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এ বিষয়ে খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার (জেটিডব্লিউসি)-এর তথ্য থেকে জানা গেছে যে, শুক্রবার ০৩০০ গ্রিনিচ মান সময় পর্যন্ত টাইফুন ‘বাভি’ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের মাঝামাঝি অবস্থানে ছিল। সে সময় ঝড়টির স্থায়ী বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৬৭ কিলোমিটার (১০৪ মাইল) এবং দমকা হাওয়ার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২০৩ কিলোমিটার।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ প্রবাসীর লাশ দেশে, স্বজনদের আহাজারি
মার্কিন জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা সতর্কতা দিয়েছে যে, ‘বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী মারিয়ানা অঞ্চলের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক’। আবহাওয়া পরিষেবা আরো বলেছে, ‘গুয়াম এবং নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের সমস্ত বাসিন্দার জন্য যেকোনো টাইফুন মোকাবিলায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।’
জেটিডব্লিউসি জানায়, পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়টি শনিবার সকালে ‘সুপার টাইফুন’ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তখন এর বাতাসের গতি দাঁড়াতে পারে ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার। তারপরে এটি আরও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও শক্তিশালী হয়ে ঘণ্টায় ২৭৮ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাতে পারে, যা ক্যাটাগরি ৫ হারিকেনের সমতুল্য।
জেটিডব্লিউসি উল্লেখ করেছে, পশ্চিম উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে ২৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতির ঘূর্ণিঝড়কেই ‘সুপার টাইফুন’ বলা হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, কিছুটা দুর্বল হয়ে গেলেও টাইফুনটি আগামী সোমবার সকালে গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানতে পারে। উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে আঘাত হানা সুপার টাইফুন সিনলাকুর ক্ষয়ক্ষতি থেকে অঞ্চলটি এখনো পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে পারেনি।
আরও পড়ুন: ইটনায় পাচারকালে ১শ’ ৮বস্তা সার জব্দ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন