প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শ্যামল উদ্দিন মাঝির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১ টার সময় শ্যামলের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে শ্যামল উদ্দিনসহ আরও নয় বাংলাদেশির মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। পরে নিহতের পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। নিহত শ্যামল উদ্দিন রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার ঝিকড়া ইউনিয়নের মরুগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মরদেহ দেশে আনার জন্য বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন মৃতের জামাতা মিজানুর রহমান।
মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বেলা ১১ টার দিকে শ্যামলের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আশেপাশের এলাকার মানুষও অংশগ্রহণ করেন। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা হয়।
প্রিয়জনকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে শ্যামলের স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও অন্যান্য স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শোকসন্তপ্ত স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশ ভারি হয়ে ওঠে।
বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম আহমেদ জানান, ‘নিহতের খবর পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা ও শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া তারা বিমানবন্দরে ৩৫ হাজার টাকা পেয়েছে। যেহেতু নিহতের তিন মেয়ে রয়েছে, আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বলেছি তাদের দেখাশোনা করতে। যেহেতু তারা পড়াশোনা করে, আমরা তাদের সহযোগিতা করব।’
উল্লেখ্য, ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৩টায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মানফুয়া সানাইয়া এলাকার একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাসিন্দা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন