প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার ফলে একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলো। লাইনে গ্যাসের চাপ না থাকায় এসব স্টেশনগুলো বন্ধ হচ্ছে लगातार। যেগুলো খোলা আছে, সেখানে ভোগান্তি চরমে পৌঁছে গেছে।
চালকেরা বলছেন, চাপ কম থাকার অজুহাতে একটি মহল দাম বাড়ানোর পায়তারা করছে। অন্যদিকে সিএনজি স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্যাসের চাপ দিন দিন আরও কমে যাচ্ছে।
সকাল থেকে বন্ধ হয়ে আছে সিএনজি স্টেশনগুলো। অথচ গাড়ি নিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন গ্রাহকরা। তারা জানেন না কখন গ্যাস পাওয়া যাবে, তবুও অপেক্ষা করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
কয়েকজন গ্রাহক বলেন, চার-পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক সময় গ্যাস পেতে হচ্ছে না। সিএনজি স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, লাইনে গ্যাসের চাপ আরও কমে গেছে, তাই গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, লাইনে চাপ নেই। আমাদের স্টেশন বন্ধ রয়েছে। গ্যাসের চাপ যতদিন না বাড়ে ততদিন ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে। এদিকে, যে স্টেশনগুলো এখনও চালু আছে সেগুলোতে ভোগান্তি আরও বেড়েছে। গাড়ির চাপ বাড়ায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার আগে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। চালকরা বলছেন, এগুলো দাম বাড়ানোর অজুহাত মাত্র।
এক সিএনজি চালক বলেন, গ্যাসের দাম বাড়বে বলে শুনছি। দাম বাড়ুক, তারপরও তো আমাদের ভোগান্তি কমবে না। এক প্রাইভেট চালক জানালেন, এক চাপে ৫০০-৬০০ টাকার গ্যাস পেতাম। এখন সর্বোচ্চ ২০০ টাকার গ্যাস পাচ্ছি। তবে, এখনও চালু থাকা সিএনজি স্টেশনগুলোও যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
এক ফিলিং স্টেশন মালিক বলেন, পেছনের অনেক স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে আমাদের স্টেশনটিও যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। লাইনে গ্যাসের চাপ কমতে থাকায় তেজগাঁও, মিরপুর ১০ সহ বেশ কিছু এলাকার সিএনজি স্টেশন ইতিমধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন