প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একসময় আনসু ফাতিকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সম্ভাবনাময় তারকা হিসেবে দেখা হতো। তবে লামিনে ইয়ামালের উত্থানের আগে তাকে বার্সেলোনার সবচেয়ে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে গণ্য করা হতো।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার পারফরম্যান্সের মান কমে যাওয়ার ফলে বার্সেলোনা তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়। এরপর তিনি ধার হিসেবে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন এবং এএস মোনাকোয় খেলেছেন, কিন্তু স্পেনের বিশ্বকাপ দলে তার জন্য জায়গা হয়নি।
ফুটবল ক্যারিয়ারের এই অনিশ্চয়তার মাঝে ২৩ বছর বয়সী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। এবার তিনি সংগীতের জগতে প্রবেশ করেছেন।
সম্প্রতি তিনি নিজের প্রথম একক গান প্রকাশ করেছেন। স্প্যানিশ ভাষায় এই গানের নাম ‘Sea Como Sea’। গানটির রেকর্ডিং এবং মিউজিক ভিডিও রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিলে ধারণ করা হয়েছে।
তিনি সংগীত ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মিউজিক ব্রোকার্সের সঙ্গে একটি বৈশ্বিক বিতরণ চুক্তিও করেছেন। এটি সনি মিউজিকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে তিনি বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে আসা প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বাণিজ্যিক গান প্রকাশের নজির স্থাপন করেছেন।
এই গানের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ মিনিট ১৫ সেকেন্ড। এতে আফ্রোবিটস, রেগেটন এবং অ্যামাপিয়ানো ধারার মিশ্রণের উপস্থিতি রয়েছে। গানের মাধ্যমে তার জন্মস্থান গিনি-বিসাউ, স্পেনে বেড়ে ওঠা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গীতের প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
ফাতি জানান, ২০২০ সালে গুরুতর হাঁটুর ইনজুরির কারণে তিনি যখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ছিলেন, তখনই তিনি গান লেখার প্রতি আকৃষ্ট হন। পরে এএস মোনাকোয় সময় কাটানোর সময় তিনি নিয়মিত স্টুডিওতে কাজ করে সংগীতের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করেন।
নিজের নতুন উদ্যোগ নিয়ে ফাতি বলেন, ‘অনেকেই মনে করেন তারা আমার গল্প জানেন, কারণ তারা আমাকে গোল করতে দেখেছেন। কিন্তু এই গান আমার জীবনের অন্য একটি দিক তুলে ধরেছে।’
এদিকে স্প্যানিশ গণমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো খবর দিয়েছে যে, এএস মোনাকো তাকে স্থায়ীভাবে দলে রাখতে চায় এবং শিঘ্রই বার্সেলোনার সঙ্গে তার চুক্তি চূড়ান্তভাবে শেষ হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন