প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার জ্বালানি খাত ও তেল ক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের উদ্দেশ্যে একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা বিলে স্বাক্ষর করেছেন। শুক্রবার, মার্কিন কংগ্রেসে বিলটি পাস হওয়ার পর তিনি এতে অনুমোদন দেন।
নতুন এই আইন কার্যকর হলে রাশিয়ার জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতের পাশাপাশি দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে, রাশিয়ার তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা গোপন ট্যাংকার বহরকে মূল লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
এই আইনের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে খনিজ তেল ও গ্যাস আমদানিকারী প্রধান দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপের ক্ষমতা লাভ করেছেন ট্রাম্প। এর ফলে চীন ও ভারতের মতো বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশগুলো সরাসরি মার্কিন শুল্কের ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে। মূলত মস্কোর যুদ্ধ তহবিলের আয়ের উৎস বন্ধ করার জন্য এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ওয়াশিংটন।
এর আগে প্রতিনিধি পরিষদে ২৬২-১৫৯ ভোটে বিলটি পাস হয়। নতুন এই বিলের মাধ্যমে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করা বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপরও কঠোর নজরদারি চালানো হবে, যার আওতায় থাকবে ইরানও। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই আইন প্রণয়নকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তারা তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন উৎস থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন