প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের জনগণ চরম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ হামলা এবং ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইরান নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও যে কোনো হামলার কড়া জবাব দিতে কারও কাছে অনুমতি নেবে না।
বিশ্বমঞ্চে পেজেশকিয়ান বলেন, "আমি এমন এক ইরানের প্রতিনিধিত্ব করছি যার সর্বোচ্চ নেতাকে কোনো আইনি কাঠামো বা কারণ ছাড়াই হত্যা করা হয়েছে। আমি এমন এক ইরান থেকে এসেছি যেখানে যুদ্ধের প্রথম দিনেই মিনাভের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালানো হয়েছিল।"
তিনি ইসরায়েলের পারমাণবিক নীতি ও পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। পেজেশকিয়ান উল্লেখ করেন, পারমাণবিক নন-প্রলিফারেশন চুক্তিতে (এনপিটি) স্বাক্ষর না করা সত্ত্বেও ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা পরিদর্শন করা হয় না। অন্যদিকে, ইরানের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত পরিদর্শক পাঠানোর দাবি তোলা হয়।
পেজেশকিয়ান আরও বলেন, "ইসরায়েল গাজায় ৭০ হাজারের বেশি নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। তারা প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও গণহত্যা চালাচ্ছে, আর উল্টো অন্যদের ওপর সন্ত্রাসবাদের তকমা লাগিয়ে দিচ্ছে। যখন আমরা আলোচনার টেবিলে ছিলাম, তখনও ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।"
তিনি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইরানি বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল ও অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ তোলেন। পেজেশকিয়ান দাবি করেন, মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব দিলেও ইরান কখনো বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান কোনো আগ্রাসী রাষ্ট্র নয়। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২০০ বছরে ইরান কোনো দেশে হামলা করেনি। তিনি বলেন, "আমরা শক্তির প্রদর্শন বা আগ্রাসনের জন্য শক্তি চাই না; আমাদের উদ্দেশ্য দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি। তবে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন ইরানের শহরগুলোতে বোমা হামলার পরিণতি কাউকে না ভেবে থাকতে না হয়। নিজেদের মাতৃভূমি রক্ষায় আমরা কারও অনুমতি বা অনুমোদনের অপেক্ষা করব না।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন