প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভবিষ্যতের বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বৃহৎ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস। তারা ঘোষণা করেছে, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে প্রতিদিন অতিরিক্ত ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করবে।
রবিবার অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে জোটের শীর্ষ সাত সদস্য— সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান— বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এই নতুন চুক্তিতে একমত হয়।
২০২৩ সালের এপ্রিল ও নভেম্বরে স্বেচ্ছায় তেল উৎপাদন কমানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেটি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার লক্ষ্যে নেয়া হয়েছে এই পদক্ষেপ।
সঙ্গে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে যেসব দেশ নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি তেল উৎপাদন করেছে, তাদের ক্ষতিপূরণও দ্রুততর হবে এই সমন্বয়ের মাধ্যমে। বাজার পরিস্থিতির পর্যালোচনার জন্য আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সদস্য দেশগুলো আবার বৈঠকে বসবে।
অন্যদিকে, ওপেক প্লাসের জয়েন্ট মিনিস্টেরিয়াল মনিটরিং কমিটির (জেএমএমসি) ৬৭তম বৈঠকেও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক নৌপথটি সুরক্ষিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে যাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
কমিটি সতর্ক করেছে, জ্বালানি স্থাপনায় যে কোনো প্রকার হামলা বা নৌপথে বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তেলের সরবরাহ কমে যেতে পারে, যা চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।
এই ছাড়া, ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি স্থাপনা মেরামতের বিষয়টি বেশ ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
বৈঠকে গত মে ও জুন মাসের উৎপাদন তথ্য পর্যালোচনা করে জেএমএমসি সদস্য দেশগুলোর নীতি পালন করার জন্য তাদের প্রশংসা করেছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বর ও ফেব্রুয়ারি মাসের চুক্তি অনুযায়ী, তারা আগামীতে বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকবে।
প্রয়োজনে যেকোনো সময় জরুরি বৈঠক আয়োজনের ক্ষমতাও নিজেদের হাতে রেখেছে জেএমএমসি। পরবর্তী ৬৮তম বৈঠক আগামী ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন