প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুলিশের হাতে আটক হয়েছে ৭ বাংলাদেশি নাগরিক, যাদের মধ্যে ২ জন নারীও রয়েছেন। তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পাচারের সময় দালালের মাধ্যমে উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
২২ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুরি বড়ইতলা গ্রাম থেকে তাদের উদ্ধার করে আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের মো. সাইফুল (২১), খুলনা জেলার দিগলদিয়া থানার বাগমারা গ্রামের মো. রাব্বি শিকদার (১৭), খুলনার কাজিগঞ্জ মোগলা গ্রামের মো. কাউছার (১৬), বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের মো. ওমর ফারুক (১৮), একই জেলার মোড়লগঞ্জ থানার নিশানবাড়িয়া গ্রামের মো. পারভেজ হাসান (২১), নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভমবাগ গ্রামের শম্পা (২৪) এবং ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী সুতারপুর গ্রামের মুন্নি (১৬)।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, তারা অজ্ঞাত এক দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের বেতনের আশায় প্রথমে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র জাফলং এলাকায় আসেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুই নারীকে ভারতের বাসাবাড়িতে মাসিক ৫০ হাজার টাকা এবং ৫ যুবককে ভারতের বিভিন্ন কোম্পানিতে মাসিক ৩৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পরে মিজান নামে এক ব্যক্তি তাদের নলজুরি বড়ইতলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে নিয়ে আসে এবং সেখানে তারা অবৈধভাবে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশের নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করার বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে গোয়াইনঘাট থানার তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তাদের পুলিশ হেফাজতে নেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক জানান, উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে ওই ৭ নাগরিক নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। এই চক্রের পেছনে থাকা দালালদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন