প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেথি ভেজানো পানি সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন দাবি প্রচলিত রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ওজন কমানো এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বিষয়। মেথির মধ্যে দ্রবণীয় আঁশ এবং অন্যান্য উপাদান থাকার কারণে এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার একটি অংশ হতে পারে। তবে, মেথি ভেজানো পানিকে কোনো রোগের ‘প্রাকৃতিক ওষুধ’ হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক নয়।
রক্তে শর্করার ওপর প্রভাব থাকতে পারে
মেথি নিয়ে বেশ কিছু গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। কিছু সিস্টেমেটিক রিভিউ এবং মেটা আ্যানালাইসিসে দেখা গেছে যে, মেথি গ্রহণের ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে ফাস্টিং ব্লাড গ্লুকোজ এবং HbA1c কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, গবেষণাগুলোর মান, ব্যবহৃত মাত্রা এবং প্রস্তুতপ্রণালীতে বিভিন্নতা বিদ্যমান।
এনসিসিআইএইচ উল্লেখ করেছে যে, মেথি রক্তে শর্করা কমাতে সক্ষম—এমন কিছু গবেষণা পাওয়া গেলেও, ডায়াবেটিসের জন্য এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট উচ্চমানের প্রমাণ এখনও নেই।
পেটের জন্য কেমন?
মেথির আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক হতে পারে। তবে, অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে ডায়রিয়া, বমিভাব বা অন্যান্য হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ডায়াবেটিসের রোগীদের বিশেষ সতর্কতা
মেথি রক্তে শর্করা কমাতে পারে। তাই, ডায়াবেটিসের ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত বেশি পরিমাণে মেথি গ্রহণ করলে কিছু ব্যক্তির ব্লাড সুগার অতিরিক্ত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন বন্ধ করে মেথির পানি পান করা একেবারেই উচিত নয়।
গর্ভাবস্থায়?
খাবারে ব্যবহৃত স্বাভাবিক পরিমাণের চেয়ে বেশি মেথি গর্ভাবস্থায় নিরাপদ নাও হতে পারে। তাই, গর্ভবতী নারীদের মেথির পানি বা মেথির সাপ্লিমেন্ট নিয়মিত গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
মেথি ভেজানো পানি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ হতে পারে, তবে এটি ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো রোগের বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন